অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা ফরমালিনের ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পর এর প্রয়োগ কিছুটা কমেছিল। কিন্তু এ সুযোগে আবারও ইথোফেন ও ক্যালসিয়াম কার্বাইড দিয়ে ফল পাকানোর ধুম শুরু হয়েছে।
বেশ কয়েক বছর ধরে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আম, পেঁপে, কলা ইত্যাদি ফলকে কাঁচা ও অপরিপক্ক অবস্থায় গাছ থেকে পেড়ে ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ইথোফেনসহ অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান দিয়ে রঙ্গিন করে বাজারে বিক্রি করছে।
অভিযোগ ছিলো, পূর্বে ফল সংরক্ষণের কাজে ফরমালিন ব্যবহারের কাজটা করতো কৃষকরা। কিন্তু প্রোটিন ছাড়া ফরমালিন শাক-সবজি ও ফলমূলে কাজ করে এমন গবেষণা ভিত্তিক তথ্য আসার পর তা বন্ধ হয়েছে। কিন্তু এখন কৃত্রিমভাবে ফল পাকানোর এই বিষয়টির ক্ষেত্রে পুরো ক্ষমতা বেপারীদের হাতে। তারা ফল পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত বড় হওয়ার জন্য ‘প্ল্যান্ট গ্রোথ রেগুলেটর’ দিতে বলে। এর অন্য নাম ‘প্ল্যান্ট গ্রোথ প্রমোটার/হরমোন’। এরপর ফল পাকানোর জন্য তারা ‘আর্টিফিশিয়াল রাইপনার’ নামে পরিচিত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করছে।
এ বিষয়ে ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান আ ব ম ফারুক বাংলানিউজকে জানান, স্বাভাবিকভাবে ফল না পাকলে পুষ্টি ও স্বাদ-গন্ধ কিছুই পাওয়া যাবে না। কেননা এর কোষ বিভাজন সম্পন্ন হয় না। ফল পাকার ক্ষেত্রে প্রাণ-রাসায়নিক বিদ্যা অনুসারে সবুজ ক্লোরোফিলগুলো ফ্লেভনয়েডে পরিবর্তিত হয়। ফলে ফলটি পাকার পর রঙ-স্বাদ পরিবর্তন হয়ে পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ হয়। আর এ পুরো প্রক্রিয়া বোঁটার মাধ্যমে হয়ে থাকে। এদিকে কৃত্রিম ফ্লেভনয়েডগুলো রঙ পরিবর্তন করলেও প্রাণরাসায়নিক রূপান্তরের পথে যায় না। আর এসব রাসায়নিক পদার্থ কোনোভাবেই শরীরের জন্য ভালো হতে পারে না।
এদিকে ব্যাপারীদের বক্তব্য, স্বাভাবিকভাবে পাকতে দিলে দূরের গ্রাম থেকে শহরে আনার পথে ও বিক্রির জন্য অপেক্ষমান সময়ে অর্ধেকের বেশি নষ্ট হয়ে যায়। তাই কাঁচা অবস্থায় তুলে আনতে হয়। পরে পাকানোর জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়।
তাদের এই কথায় সহানুভূতির সৃষ্টি হলেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগে


