প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আন্তরিকতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সামনের নির্বাচনগুলো পরিচালনা করার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করব।
সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, নির্বাচনে দলীয় কর্মী থাকে। তারা ভোটারদের নিয়ে যায়। তাদের যে ভূমিকা নেই তা নয়, তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। যদি গ্রাউন্ড লেভেলে নির্বাচন ব্যবস্থা দুর্বল হয় তাহলে সমস্যা তৈরি হয়। আমরা সবাইকে নির্বাচনমুখী করতে চাই। এক্ষেত্রে আমাদের কোনো ত্রুটি থাকবে না।
সাংবাদিকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের কি মনে হয় আমি রাতে গিয়ে সিল মারবো? আমি সরকারি কর্মকর্তা ছিলাম, অনেকেই তো ছিলেন। এটা আপেক্ষিক বিষয়। অনূকুল পরিবেশের কথা বলেছি। যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের সঙ্গেও বসবো, অবজারভ করবো। আমি গুরুত্ব দিই ভোটকেন্দ্রকে। প্রতিটি দলের স্ব স্ব এজেন্ট আছে, তাদের তাড়িয়ে দিলে জানাতে হবে। তাদের সেখানে অবস্থান করতে হবে। আমরা আশাবাদী, আমাদের ওপর আস্থা রাখেন। ভোটকেন্দ্র দুর্বল হলে আমরা দুর্বল হয়ে পড়বো।
তিনি বলেন, ভোট ভোটের নিয়মে হবে। আগের রাতে হতো কি না জানি না। আমি অস্ট্রেলিয়ায় বসে দিনে ভোট দিতে দেখেছি। আমি জানি সেটি হয় কি না। তবে আমরা সেদিকে যেতে চাই না। যদি দেখেন আমরা সেটি করেছি তখন বলতে পারেন। যদি মানুষের আস্থা বিনষ্ট হয় তাহলে সেটি ফেরানোর চেষ্টা কি আমরা করবো না? আমাদের আপনারা পর্যবেক্ষণে রাখেন, আমরা তো সেখানে বাধা দেবো না। রাজনৈতিক দলগুলো চুক্তিবদ্ধ হতে পারে যে, তারা কেন্দ্রে কোনো সহিংসতা করবে না, সংঘাত তৈরি করবে না।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা চেষ্টা করবো। আমাদের শক্তি-সামর্থ্য অসীম নয়। আন্তরিক চেষ্টার ঘাটতি থাকবে না। নির্বাচনের সময় কোনো অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করবো। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।
সিইসি বলেন, আমাদের ক্ষমতা অসীম না। সংবিধানে আমাদের দায়িত্ব যেভাবে দেওয়া আছে, আমরা সেভাবেই দায়িত্ব পালন করব। তবে রাজনৈতিক দলগুলোকে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় আমাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে। আমরা সাধ্য মতো ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে কাজ করব। আমরা চাই কোনো দলই যেন ভোটের মাঠ ছেড়ে না যায়। কারণ কোনো দল ভোটের মাঠ ছেড়ে দিলে নির্বাচন আর সুষ্ঠু থাকে না।
তিনি বলেন, আজ আমরা নির্বাচন কমিশনের সবার সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। যদিও আমার সবাই নতুন। আমরা নির্বাচন কমিশন নিয়ে সেভাবে অভিজ্ঞ না। তবে নির্বাচন কমিশন নিয়ে আমাদের জ্ঞান আছে। এজন্য কমিশনের সবার সঙ্গে বসে আমরা কর্মপরিকল্পনা তৈরি করব। নির্বাচনের বিধিবিধান ও কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী আমাদের মেয়াদে কাজ করার চেষ্টা কর



