Current date Sep 8, 2026
বিশ্ব

নাগরিকত্বহীন চুক্তিতে হতাশ রোহিঙ্গারা

URL copied
Share URL copied

নিউজ ডেস্ক : রাখাইনে খুন, ধষর্ণ আর অগ্নিসংযোগের মুখে পালিয়ে আসা প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরাতে জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে মিয়ানমার। এই চুক্তিতে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রশ্নের মীমাংসা না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি রোহিঙ্গাদের এই হতাশার খবর প্রকাশ করেছে। তবে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে জটিল আলোচনার ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রথম পদক্ষেপ।

মিয়ানমারের কর্মকর্তারা বলছেন, জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে গতি আসবে। তবে মানবাধিকার গ্রুপগুলো পর্যাপ্ত সংখ্যক রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়ার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন।

১৯৮০’র দশকে তৎকালীন মিয়ানমারের সরকার এক আইনের বলে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়। কয়েক প্রজন্ম ধরে রাখাইনে বসবাস করে আসলেও তাদেরকে অবৈধ অভিবাসী বলে চিহ্নিত করে চালানো হয় কাঠামোবদ্ধ সেনা প্রচারণা। ধাপে ধাপে সেখানকার মানুষদের রোহিঙ্গা বিদ্বেষী মনোভাব গড়ে তোলা হয়।

সর্বশেষ গত বছর নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইনে সহিংসতা জোরালো
করলে পালিয়ে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক চাপে এসব রোহিঙ্গাদের ফেরাতে গত বছরের নভেম্বরে চুক্তি স্বাক্ষরের পর গত বুধবার জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে মিয়ানমার। তবে ওই চুক্তিতে নাগরিকত্বের প্রশ্নের মীমাংসা না হওয়ায় বহু বছর ধরে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের মিথ্যা আশ্বাস পেয়ে আসা রোহিঙ্গারা হতাশ হয়ে পড়েছে।

তৈয়ব আলী নামে রোহিঙ্গা এপিকে বলেছেন, প্রথমে রাখাইনে থাকা রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দিতে পারে ইয়াঙ্গুন সরকার। তিনি বলেন, ‘যখন আমরা দেখে শুনে নিশ্চিত হবো যে তারা নাগরিক অধিকার উপভোগ করছে তখন আমরা ফিরে যাবো।’ মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, শরণার্থীদের অনেকেই বলেছেন তারা সত্যিকার অর্থে কোনও চুক্তিতেই খুশি হতে পারছেন না, যতক্ষণ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ও কেড়ে নেওয়া ভূমির অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে জাতিসংঘ কর্মকর্তারা বলছেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট নিয়ে জটিল আলোচনার ক্ষেত্রে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রথম পদক্ষেপ। তারা বলছেন বুধবার নেপিদোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি ‘সহযোগিতার রূপরেখা’ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা, নিরাপদ ও কার্যকর প্রত্যাবসানের শর্ত তৈরি করা হবে।

তবে এই চুক্তিতে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব অস্বীকার করা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। জাতিসংঘ কর্মকতারা বলছেন, বুধবারের চুক্তির পর বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা রাখাইনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এর ফলে সেখানকার পরিস্থিতির সম্পর্কে আরও ভালোভাবে মূল্যায়ন করে শরণার্থীদের তাদের গ্রামের ফিরে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো যাবে। এপি।

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

মুকসুদপুরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পেলেন ৫ শতাধিক সুবিধাবঞ্চিত মানুষ

আরেফিন মুক্তা- মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুকসুদপুর উপজেলায় অসহায় ও মানুষের জন্য বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশনের লক্ষ্যে একদিনব্যাপী রোগী বাছাই...

Lead Newsবাংলাদেশ

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজের সর্বনিম্ন খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় আগামী বছর (২০২৭ সাল) হজ পালনে ৩টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে সাশ্রয়ী প্যাকেজে-৩ এ সর্বনিম্ন খরচ...

Lead Newsবিশ্ব

সৌদি আরবের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক সৌদি আরবের সঙ্গে একটি ‘ঐতিহাসিক’ পরমাণু চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন...