Current date Oct 28, 2026
Lead Newsখেলা

আবেগ, প্রতিশোধ আর ইতিহাসের ফাইনাল

URL copied
Share URL copied

স্পোর্টস ডেস্ক: রাশিয়া বিশ্বকাপের ৩১ দিনের জমজমাট নাটক শেষ। ৬২ ম্যাচের স্নায়ুর চাপ সামলে বাজিমাতের টেনশনেও দাঁড়ি। কারা থাকলেন, কারা বিদায় নিলেন, অবসান সেই তর্কেরও।

লুঝনিকি স্টেডিয়ামে কাপ-যুদ্ধের ফাইনালে মুখোমুখি ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া। যে ম্যাচের সঙ্গে জড়িয়ে থাকছে আবেগ আর ইতিহাস। থাকছে প্রতিশোধের একটা দিকও। মহাতারকারা কেউ নেই। এই ম্যাচ আসলে ধারাবাহিক থাকা দুই দলের।

ফুটবলপ্রেমীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রবিবার রাতের ফাইনালের জন্য। ফ্রান্স কি পারবে দ্বিতীয় বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে? হুগো লরিসের দলের সামনে ইতিহাস ছোঁয়ার হাতছানি। এর আগে ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বচ্যম্পিয়ন হয়েছিল ফ্রান্স। সে বার অধিনায়ক ছিলেন দিদিয়ের দেশঁ। এ বার তিনি কোচ।

ক্রোয়েশিয়ার ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপ নেই। ১৯৯৮ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে এসে সেমিফাইনালে ওঠাই ছিল তাদের সেরা সাফল্য। রাশিয়ায় ফাইনালে উঠে যা এর মধ্যেই ছাপিয়ে গিয়েছেন লুকা মদ্রিচ, ইভান রাকিটিচরা। কাপ জিতলে নতুন চ্যাম্পিয়ন পাবে ফুটবলবিশ্ব। সৃষ্টি হবে ইতিহাস। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটা দেশের ফুটবল কেন্দ্র করে বাঁচার লড়াই পাবে অন্য মাত্রা। গোটা দেশ তাই ফুটবল-আবেগে কাঁপছে।

ফ্রান্সের ভরসা কিলিয়ান এমবাপ্পে। ১৯ বছর বয়সি খেলছেন দুরন্ত ফুটবল। গোল করেছেন, স্কিলের ঝলকানিতে মুগ্ধও করেছেন। এমবাপের সঙ্গে গ্রিজম্যান আর জিহু মিলে আক্রমণ রীতিমতো তীক্ষ্ণ। মাঝমাঠে পল পোগবা আর কান্তে রয়েছেন। মাতুইদি ফিট হয়ে উঠেছেন। রক্ষণও জমাট। গোলরক্ষক লরিস অধিনায়কও। সব মিলিয়ে ফ্রান্স দলে দারুণ ভারসাম্য। চোট-আঘাতের উদ্বেগও নেই। ক্রোয়েশিয়াকে কিন্তু দুশ্চিন্তায় রাখছে পেরিসিচের চোট। নকআউটে টানা তিন ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে খেলাও ক্লান্তি আনতে বাধ্য। যা ফ্রান্সের নেই।

ফাইনালে আবার প্রতিশোধের কাহিনিও রয়েছে। কুড়ি বছর আগে দাভর সুকেররা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হেরেছিলেন ফ্রান্সের কাছে। ফ্রান্স হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এ বার কি ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হবেন সুকেরের উত্তরসূরিরা? নাকি, ইতিহাসের হবে পুনরাবৃত্তি, বিশ্বকাপে ফের ফ্রান্স হারাবে ক্রোয়েশিয়াকে? আবেগ, প্রতিশোধ, ইতিহাস। বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রেক্ষাপট জমজমাট।

এদিকে রাশিয়ার চিড়িয়াখানায় বিশ্বকাপ ফাইনালের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ক্রোয়েশিয়াকে বেছে নিল সাইবেরিয়ার ভালুক।

এর সঙ্গে মাঠের লড়াইও বেশ উত্তেজক। দুই গোলরক্ষক সুবাসিচ ও লরিসের একে অন্যকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। মাঝমাঠে পোগবা-কান্তের সঙ্গে মদ্রিচ-রাকিটিচের বল দখলের লড়াই। এমবাপ্পের সঙ্গে আবার সোনার বলের লড়াইয়ে রয়েছেন মদ্রিচ।

বিশ্বকাপ ফাইনাল মানেই নায়ক হওয়ার মঞ্চ। মঞ্চ নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়ারও। বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি চোখ যে তাকিয়ে থাকবে ও দিকেই। কাপ-যুদ্ধ কোথাও গিয়ে তাই হয়ে উঠছে মানসিক শক্তির পরীক্ষাও।

Share URL copied
Lead Newsরাজনীতি

বিএনপিকে চাঁদাবাজ বললে বিচার করবে জনগণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সরকারকে ঢালাওভাবে দোষারোপ এবং বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে কেউ বক্তব্য দিয়ে থাকলে, তার বিচার...

Lead Newsবাংলাদেশ

ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চলবে : ডিএনসিসি প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে রাজধানীর মিরপুরে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি)...

Lead Newsস্বাস্থ্য

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে এক হাজার ২২১ জন সন্দেহজনক হাম...