Current date Sep 16, 2026
বাংলাদেশ

করোনা ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না

URL copied
Share URL copied

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে সংক্রামক রোগ কোনো সীমান্ত চেনে না এবং দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত, উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না।

তিনি বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে পুরোনো প্রবাদ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) লন্ডনে স্থানীয় সময় দুপুরে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) আয়োজিত সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে কমপক্ষে ৭.৪ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে এই সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি কোভিড-১৯ এর মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয় পুরোনো প্রবাদ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম। সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন প্রমাণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী প্রতি চার মাসে একটি নতুন সংক্রামক রোগের উদ্ভব হয়। গ্লোবাল ভাইরোম প্রজেক্ট অনুমান করছে প্রায় ৭০০ হাজার ভাইরাস আছে যেগুলো মহামারি সৃষ্টিতে করতে সক্ষম। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে। সুতরাং মানব অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। এই যুদ্ধে ’গাভি’ আমাদের সবচেয়ে ভালো সহায়তা দিতে পারে।

‘গাভি’র প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সাল থেকে গাভি ৭৬০ মিলিয়ন মানুষকে মরণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে এবং সারাবিশ্বে ১৩ মিলিয়নের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে। সবার সহযোগিতায় তারা এটি অব্যাহত রাখতে পারবে।

এই সংস্থাকে সহযোগিতা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমি নই, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে সহায়তার কথা শুনতে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করছে।

সার্বজনীন স্বাস্থ্য কভারেজ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গাভিকে পরীক্ষিত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশকে দেয়া সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তেনিও গুতেরেস, গাভি বোর্ডের চেয়ারম্যান উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়।

Share URL copied
Lead Newsরাজনীতি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তারেক রহমানকে দিলো বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী কে হবেন তা চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে বিএনপির...

বাংলাদেশ

গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: পেট্রোবাংলা

নিজস্ব প্রতিবেদক সরকার বর্তমানে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা করেনি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। সম্প্রতি বিভিন্ন...

Lead Newsবাংলাদেশ

ঐতিহ্যবাহী মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের ৪০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আরেফিন মুক্তা: মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জ জেলার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেল ৪ ঘটিকায় উৎসবমুখর...