Current date Jul 23, 2026
Lead Newsঅর্থনীতি

একই মামলার আসামী হয়েও স্বপদে বহাল মাকসুদা

URL copied
Share URL copied

নিউজ ডেস্ক:

৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার আসামি এক্সিম ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেনকে গত ৬ নভেম্বর গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অথচ একই মামলার আসামী হয়ে নিয়মিত অফিস করে যাচ্ছেন ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাকসুদা খানম।

এ তথ্যের উপর অনুসন্ধান করতে গেলে বেরিয়ে এসেছে মাকসুদা খানমের কালো অধ্যায়।

এই মাকসুদা খানম, যিনি মিলি হিসেবে বেশি পরিচিত তিনি ছিলেন নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজমুদারের খাস লোক। তার হাত ধরে নামে-বেনামে চার হাজার কোটি টাকারও উপরে লোন নিয়েছে নজরুল ও তার সুবিধাভোগীরা।
বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, ডেলটা লাইফ টাওয়ারে অবস্থিত গুলশান শাখার ম্যানেজার থাকাকালে এই লোনগুলো তিনি দিয়েছিলেন।

এক্সিম ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, মাকসুদা খানমের হাত ধরে নাসা গ্রুপের দুই এমডি সাইফুল ও রঞ্জন যথাক্রমে ১৩০ ও ১৭০ কোটি টাকা লোন নিয়েছে, বগুড়ার সাবেক এমপি রফিক নিয়েছেন ৪৫০ কোটি টাকা, সাঈদ নামে নজরুলের আরেক সহযোগী নিয়েছেন ২১২ কোটি টাকা, মজুমদারের মেয়ে আনিকা ও তার জামাই মিলে নিয়েছে ৬০০ কোটি টাকার লোন।

তবে সবচেয়ে বড় লোন নেওয়া হয়েছে রাওয়া ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট মেজর (অব.) আফসারের নামে, ২৫০০ কোটি টাকা।

মেজর আফসার দুই বছর আগে হঠাৎ মারা যাওয়ার পর ২৫০০ কোটি টাকার লোন সামনে চলে আসে। মেজর আফসারের বড় ছেলে বলেন, তারা তাদের বাবার এ লোনের কথাই জানেন না।

এটাই প্রমাণ করে এসব লোন আসলে নজরুল ইসলাম মজুমদারের জন্য নেওয়া হয়েছিলো। যার পুরস্কার হিসেবে মজুমদারের ঘনিষ্টজন মাকসুদাকে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি এক্সিম ব্যাংক হেড অফিসে নিয়ে এসে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে বসানো হয়। শুধু এই পুরস্কারই নয়, এসব লোন পাস করিয়ে দেওয়ার কারণে মাকসুদা খানমকে বেনামে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে গুলশানে একটি ফ্লাট। যার বর্তমান বাজার মূল্য আট কোটি টাকা। বিশ্বস্ত সুত্রে এই তথ্য জানা গেছে। অবশ্য মাকসুদা খানম গুলশানে ফ্ল্যাটের অস্তিত্ব অস্বীকার করে জানান, তিনি লোনের টাকায় কেনা ফ্ল্যাটে কলাবাগান থাকছেন।

যদিও এসব কালো অধ্যায় প্রসঙ্গে মাকসুদা খানমের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি তথ্যগুলো ভিন্নভাবে স্বীকার করে জানিয়েছেন, এই লোনগুলো চারটি শাখা থেকে দেয়া হয়েছিল। এরমধ্যে গুলশান শাখার দায়িত্বে তিনি ছিলেন। বর্তমানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে দুদকের মামলার আসামী হয়েও তিনি নিয়মিত অফিস করছেন। এ প্রসঙ্গে মাকসুদা খানম বলেন, ৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার আসামি সবাই অফিস করছে।

মাকসুদা খানম ১৯৯৫ সালে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংকে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে এক্সিম ব্যাংকে প্রিন্সিপাল অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। এক্সিম ব্যাংকে কর্মদক্ষতার চেয়েও সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের আনুকুল্যের ফলস্বরুপ অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি পদোন্নতি পেয়ে গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা দক্ষিণ অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর...

Lead Newsশিক্ষা

নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে, শূন্যপদ সাড়ে ৬৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নবম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ,...

Lead Newsবিশ্ব

চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আবারও আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চলতি সপ্তাহেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবার পাকিস্তানেই এ বৈঠকের আয়োজন করা...