Current date Nov 5, 2026
বাংলাদেশ

অ্যান্টিবায়োটিকের নির্বিচার ব্যবহার বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর ৬ প্রস্তাব

URL copied
Share URL copied

নিজস্ব ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যান্টিবায়োটিকের বেপরোয়া ও নির্বিচার ব্যবহার কমিয়ে আনতে অবিলম্বে বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিষয়ক ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের উদ্বোধনী সভায় দেয়া রেকর্ড করা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) মোকাবিলায় ছয়টি প্রস্তাব রেখেছেন।

তার প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্য বিক্রয় বন্ধ করা এবং এএমআর সংক্রান্ত গবেষণা জোরদার করা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং ওআইই সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে এই সভার আয়োজন করেছে। বারবাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলি, ডাব্লিউএইচও, এফএও এবং ওআইই’র মহাপরিচালকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

ওয়ান হেলথ গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের সহ-সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৯৮ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদ রেজুলেশনে জীবাণুনাশকের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই প্রতিরোধের বিরুদ্ধে লড়াই করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা সত্ত্বেও, আমরা এই হুমকি রোধে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাবার পথে অনেক দূরে রয়ে গেছি। তাই, আমাদেরকে মানব স্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও কৃষি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল এজেন্টগুলোর যৌক্তিক ব্যবহার বৃদ্ধি ও তা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘সম্ভাব্য বিপর্যয় রোধ করতে আমি অ্যান্টিমাইক্রোবাইয়াল এজেন্ট উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ এবং বিপণন নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোরভাবে আইন ও বিধি প্রয়োগের পরামর্শ দিতে চাই। মানব, মৎস্য ও প্রাণীর জন্য ব্যাপকভাবে পরীক্ষাগার ভিত্তিক নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করা দরকার। অনুমোদিত ব্যক্তির প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্য বিক্রয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা দরকার। প্রধানমন্ত্রী তাঁর চতুর্থ প্রস্তাবে এএমআর সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দসহ মৌলিক, পরীক্ষামূলক এবং পরিচালনামূলক গবেষণা জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর পঞ্চম পরামর্শে, তিনি এন্টিমাইক্রোবাইয়াল পণ্যের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য উচ্চ পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি, যোগাযোগ এবং সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাব করেছেন। ষষ্ঠ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেছেন, নীতিসমূহের কঠোর বাস্তবায়নের জন্য বৈশ্বিক নেতাদের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ এবং এফএও, ওআইই, ডাব্লিউএইচও, জাতিসংঘ পরিবেশ সংস্থা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর এই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা অপরিহার্য।’

তিনি বলেন, ‘আমি আস্থাশীল যে, আমাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের গ্রুপ এই বিষয়টিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ হিসেবে বিবেচনা করবে এবং এই মারাত্মক সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে সুস্পষ্ট সুপারিশ উপস্থাপন করবে।’

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

পানি বণ্টনে ভারতের কাছে ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ভারতের সঙ্গে পানি সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার দেশের স্বার্থে সর্বোচ্চটা আদায় করতে চাইবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।...

Lead Newsবাংলাদেশ

দেশের মানুষকে নিরাপদ পানি দিতে ২৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক সারাদেশের মানুষের কাছে নিরাপদ পানি পৌঁছে দিতে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্পের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন...

Lead Newsঅর্থনীতি

পপুলার লাইফের পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর ২৯৭ তম বোর্ড সভায় জনাব মোহাম্মদজহিরুল ইসলাম চৌধুরী পুনরায় কোম্পানীর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায়কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক...