Current date Jul 4, 2026
Lead Newsবাংলাদেশ

জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম আর নেই

URL copied
Share URL copied

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম আর নেই। বুধবার (৯ মে) রাত ৯টার দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে রাজধানীর বসুন্ধরার নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তার ব্যক্তিগত নার্স মো. সাজেদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, অ্যাপোলো হাসপাতালের মর্গে তার মরদেহ রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে জানাজা ও দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের ব্যক্তিগত নার্স মো. সাজেদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এপ্রিলের শুরু থেকেই শয্যাশায়ী ছিলেন অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম স্যার। অ্যাপোলো হাসপাতালের দু’জন নার্স সবসময় তার বাসায় থেকে তাকে দেখাশোনা করতেন। ডায়াবেটিক, প্রেশারসহ কিছু জটিলতা ছিল; তার পায়ে ব্যথাও ছিল অনেকদিন থেকে। এ কারণে প্রায় চার বছর থেকে আমি তার সঙ্গে থেকে তাকে হাঁটা-চলাফেরা থেকে শুরু করে কিছু ব্যায়াম করানোর মাধ্যমে সুস্থ রাখার চেষ্টা করতাম। কিন্তু গত একমাসের মতো সময় থেকে তিনি আর হাঁটতে পারতেন না, বিছানায় পড়ে যান।’

তিনি আরও জানান, বুধবার সকালে অ্যাপোলো হাসপাতালে ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া ছিল। তাকে (অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামকে) অ্যাম্বুলেন্সে করে বেলা ১১টার দিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কিছু টেস্ট করানোর পর বিকাল ৪টার দিকে তাকে আবারও বাসায় ফেরত হওয়া হয়। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালের কাছেই ডি-ব্লকের ১০ নম্বর রোডের ৩৩১ নম্বর বাসাতে তিনি থাকতেন। বাসায় ফেরত নেওয়ার পর আবারও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, সন্ধ্যার পর স্যারের বড় ছেলে মোস্তফা কায়েস ফোন করে আমার কাছে ডাক্তার ও হাসপাতালের ডিটেইল নেন। রাত ৯টার দিকে ডাক্তার এসে তার হৃদস্পন্দন খুঁজে পায়নি। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের শেষকৃত্যের ব্যাপারে তার ব্যক্তিগত নার্স আরও জানান, স্যারের দুই মেয়ে ও এক ছেলে দেশের বাইরে আছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। স্যারের মরদেহ অ্যাপোলো হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মুস্তাফা নূরউল ইসলাম ১৯২৭ সালের ১ মে বগুড়ার মহাস্থানগড় সংলগ্ন চিঙ্গাশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৫১ সালে সাংবদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু। তারপর ১৯৫৩-৫৪ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় যুক্ত হন এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একডেমির প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

সাহিত্য ও শিল্পকলায় অবদানের জন্য তিনি ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ও ‘একুশে পদক’ অর্জন করেছেন। ২০১১ সালে তাকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ‘সুন্দরম’ নামে একটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

Share URL copied
Lead Newsস্বাস্থ্য

হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো...

Lead Newsবাংলাদেশ

রেলযাত্রা দ্রুত ও নিরাপদ করতে চালু হবে বৈদ্যুতিক ট্রেন: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক রেলপথে যাতায়াতের সময় কমিয়ে আনা, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রধান প্রধান রুটে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন (বৈদ্যুতিক ট্রেন) চালুর...

বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ‘চুক্তি’, বন্ধ হচ্ছে যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি ‘সমঝোতা চুক্তি’ চূড়ান্ত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং...