Current date Jul 24, 2026
বিশ্ব

ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করায় চরম ক্ষুব্ধ নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

URL copied
Share URL copied

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা করায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতি চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। গত বছর নিউ জিল্যান্ডের নির্বাচন ও অভিবাসন ইস্যুতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন শেয়ার করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ফেসবুক স্ট্যাটাসে আরডার্নকে ইঙ্গিত করে লেখা হয়, ‘নিউ জিল্যান্ডের জাস্টিন ট্রুডোকে দেখুন, যিনি কেবল অভিবাসন ইস্যুতে অনেক বেশি ট্রাম্পের মতোন’। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি টেলিভিশনকে দেওয়া সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনটিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ দাবি করেছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আরডার্ন।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হন আরডার্ন। প্রতিবেদনটির উপজীব্য ছিল: নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে নিউ জিল্যান্ডের অভিবাসন-রাজনীতি। এই প্রতিবেদনটিই ফেসবুকে শেয়ার করতে গিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আরডার্নের তুলনা করা হয়। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ করা এবং মুসলিম ও শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশাধিকার সাময়িক সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করার কথা বলেছিলেন। আর এই প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল ট্রাম্পের নির্বাচন জয়ের অন্যতম ক্ষেত্র। অভিবাসন প্রশ্নে বিতর্কিত ভূমিকা পালনকারী ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ভূমিকার তুলনাতেই আপত্তি জাসিন্ডার।

এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাসিন্ডা বলেন, ‘এটা আমাকে ক্ষুব্ধ করেছে, আমার রাগ হয়েছে। আমরা এমন একটি দল যারা কিনা প্রচারণার সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম যে আগের চেয়ে দ্বিগুণ সংখ্যায় শরণার্থীদের আশ্রয় দেব। অভিবাসনকে ভিত্তি করেই গড়ে ওঠা জাতি আমরা। আমি তৃতীয় প্রজন্মের এক নিউ জিল্যান্ডবাসী মাত্র।’ জাসিন্ডার দাবি, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রিতবেদনে যা ইঙ্গিত করা হয়েছে তা অভিবাসন প্রশ্নে তার দলের ভূমিকার বিপরীত। এ ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে জাসিন্ডা বলেন, ‘ওই প্রিতবেদন দেখে মনে হচ্ছে নিউ জিল্যান্ড কোনও উন্মুক্ত এবং বহির্মুখী দেশ নয়। আমি যে ভূমিকা পালন করছি তার সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক। এ ইঙ্গিত আমাকে প্রচণ্ডভাবে ক্ষুব্ধ করেছে।’

এনবিসির ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে পাল্টা মার্কিন রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্সের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, আরডার্ন এবং তার রক্ষণশীল উপ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন পিটার্স এর যৌথ কার্যক্রম মার্কিন রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্স ও টেড ক্রুজ একসঙ্গে সরকার গঠন করলে যা হতো তার সমতুল্য। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরডার্নের লেবার জোট সরকার তিন বছরের মেয়াদে প্রতিবছর অভিবাসনের সংখ্যা ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার কমিয়ে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ভিসার আওতায় নিউ জিল্যান্ডের নিম্ন মানের প্রতিষ্ঠানে পড়তে আসা এবং এরপর সেদেশে থেকে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলার ব্যাপারে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল।

নিউ জিল্যান্ডের সরকার দেশটির কোম্পানিগুলোতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের ব্যাপারেও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। স্থানীয়দের নিয়োগকে প্রাধান্য দিতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তবে শরণার্থী গোহণের সংখ্যা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নিউ জিল্যান্ড সরকার।

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর...

Lead Newsশিক্ষা

নবম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে, শূন্যপদ সাড়ে ৬৯ হাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নবম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ,...

Lead Newsবিশ্ব

চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানে আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আবারও আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চলতি সপ্তাহেই এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবার পাকিস্তানেই এ বৈঠকের আয়োজন করা...