Current date Jul 7, 2026
বাংলাদেশ

মানহানির মামলায় জামিন নিতে গিয়ে হামলার শিকার মাহমুদুর রহমান

URL copied
Share URL copied

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ায় একটি মানহানির মামলায় জামিন নিতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান।

রোববার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আদালতের বারান্দা থেকে বের হয়ে প্রাইভেটকারে ওঠার পর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ।

হামলায় মাহমুদুরের মাথা ও মুখ জখম হয়েছে। এছাড়া তার বহনকারী গাড়িটিও ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান।

এর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র টিউলিপ সিদ্দিকীকে নিয়ে কটূক্তি করে বক্তব্যে দেওয়ার অভিযোগে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষারের করা মানহানির মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

রোববার বেলা ১২টার দিকে কুষ্টিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক এম এম মোর্শেদ ১০ হাজার টাকা জামানতে স্থায়ীভাবে এই জামিন মঞ্জুর করেন।

২০১৭ সালের ১০ ডিসেম্বর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল আদালতে মামলাটি করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার। ওই মামলায় ওয়ারেন্ট জারি করেছিল আদালত।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল আদালতে জামিন নিতে যান মাহমুদুর রহমান। আদালতে দাঁড়িয়ে জামিন চাইলে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাহমুদুর রহমান জামিন নিতে যাচ্ছেন- এমন খবরে আগে থেকে আদালত চত্বরে ছাত্রলীগ সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষা ও সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদের নেতৃত্বে অর্ধশত ছাত্রলীগ কর্মী লাঠি-সোটা হাতে আদালত চত্বরে অবস্থান নেন। এছাড়া সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারাও কালো পতাকা মিছিল করেন।

সকালে সাড়ে ১১টার দিকে জামিন হলেও হামলার ভয়ে আদালতের এজলাসে অবস্থান নেন তিনি। এসময় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সেখানে অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ মাহমুদুর রহমানকে নিরাপত্তা দেয়ার কথা বললে তিনি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে উঠে রওনা হন। গাড়িতে ওঠার পর পরই অচমকা তার ওপর প্রথমে সেন্ডেল ছুড়ে মারেন এক ছাত্রলীগ কর্মীরা। এরপর চারিদিক থেকে ইট পাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়ে যায়।

পরে রক্তাক্ত অবস্থায় আদালতের বারান্দায় বসে তিনি হামলার প্রতিবাদ করেন। মাহমুদুর রহমান বলেন, এখানে প্রয়োজনে জীবন দেব। দেশের জন্য, ইসলামের জন্য জীবন দেব।

তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলা হয়েছে। এর জন্য একদিন তাদেরও আদালতের কাঁঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।

সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন এ বিষয়ে বলেন, কিছু বুঝে ওঠার আগেই অচমকা তার ওপর হামলা হয়েছে। তবে পুলিশ না থাকলে আরো বড় ধরনের বিপদ হতে পারত।

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ আহমেদ বলেন, আমাদের দলের একজন নেতার দায়ের করা মামলায় তিনি জামিন নিতে এসেছিলেন। আমরা সেখানে বিকেল পর্যন্ত ছিলাম। আমাদের চলে আসার পর কারা হামলা করেছে তা বলতে পারব না।

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার বলেন,‘ভাই আমরা ব্যবসা বাণিজ্য করে খাই, মারপিটের বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই ভাই।’

 

Share URL copied
Lead Newsস্বাস্থ্য

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম...

Lead Newsঅর্থনীতি

রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ স্কাউট...

Lead Newsবাংলাদেশ

৫ বছরের মধ্যে কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হবে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদে কর-জিডিপি অনুপাত বাড়ানোর জন্য কর ফাঁকির বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়াসহ একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।...