স্পোর্টস ডেস্ক : কলম্বিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইরানের পর এশিয়ার দ্বিতীয় দেশ হিসেবে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল জাপান। ম্যাচের তিন মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে জাপানকে এগিয়ে নেন শিনঝি কাগাওয়া। ৩৯ মিনিটে কলম্বিয়ার কোয়েনতারো ফ্রি কিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান। ৭২ মিনিটে ইউইয়া ওসাকো হেড দিয়ে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাপান।
ম্যাচের তিন মিনিটের মাথায় ডি বক্সের ভেতর শিনজি কাগাওয়ার শট ইচ্ছাকৃতভাবে হাত দিয়ে আটকে দেন কার্লস সানচেজ। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন এবং সানচেজকে সরাসরি লাল কার্ড দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে জাপানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন কাগাওয়া।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম সময়ে লাল কার্ড পাওয়ার রেকর্ড। এর আগে ১৯৮৬ সালে উরুগুয়ের বাতিস্তা মাত্র ৫১ সেকেন্ডের মাথায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখেছিলেন।
জাপান ও কলম্বিয়ার মধ্যকার ম্যাচটির প্রথমার্ধে ১-১ গোলে ড্র হয়। ১০ জনের কলম্বিয়া লড়ে যায় এবং ৩৯ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে কুইনতেরো গোল করে কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরান। ১-১ এর সমতা নিয়ে শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতি থেকে ফিরে গোল পেতে মরিয়া হয়ে পড়ে দুই দল। ৪৮তম মিনিটে ফ্রিকিক পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি জাপান। এর মিনিট পাঁচেক পর শিনজি কাগাওয়ার পাসে ছয়-গজের বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও জালে জড়াতে পারেননি ইউয়া ওসাকো। ৫৬তম মিনিটে প্রায় একইরকম সুযোগ মিস করেন তাকাশি ইনুই।
৫৯তম মিনিটে সবাইকে অবাক করে দিয়ে হামেশ রদ্রিগেজকে নামান কলম্বিয়ান কোচ। দশজনের কলম্বিয়ার বিপক্ষে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে জাপান। কিন্তু কলম্বিয়ার রক্ষণভাগে থেমে যায় তাদের সব আক্রমণ। ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে কাগাওয়াকে উঠিয়ে নিয়ে অভিজ্ঞ কেইসুক হোন্ডাকে নামান জাপানিজ কোচ। মাঠে নেমেই জাপানের আক্রমণে বাড়তি গতি যোগ করেন হোন্ডা। ৭১ মিনিটেই গোলমুখে প্রথম শট নেন তিনি। তবে দুর্বল শট ঠেকাতে কোনো সমস্যা হয়নি ওসপিনার। কিন্তু ৭৩তম মিনিটে আর ঠেকাতে পারেননি ওসপিনা। হোন্ডার করার কর্ণার কিক থেকে সরাসরি হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ওসাকো। পরে আর কোনো দল গোল করতে না পারলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জাপান।


