Current date Jul 11, 2026
বাংলাদেশ

ইমামের মাথায় মলমূত্র ঢেলে দেয়ার মূলহোতা গ্রেপ্তার

URL copied
Share URL copied

বরিশাল প্রতিনিধি: বরিশালে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে হেরে ইমাম আবু হানিফার (৫০) মাথায় মল-মূত্র ঢেলে লাঞ্ছিতের ঘটনার মূলহোতা ও মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর খন্দকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গেল বুধবার রাতে পাবনা জেলার বেড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর খন্দকার বাকেরগঞ্জ উপজেলার লোছনাবাদ এলাকার মৃত ইসতেহার খন্দকারের ছেলে।

বরিশালের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, ইমামের মাথায় মল-মূত্র ঢালার ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর খন্দকার গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। তিনি উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে বুধবার রাতে পাবনা জেলার বেড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে নিয়ে পুলিশের একটি দল বরিশালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

মামলার বাদী কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসার সুপার ও নেছারবাগ বায়তুল আমান জামে মসজিদের ইমাম আবু হানিফা বলেন, পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়েছি বুধবার রাতে পাবনা জেলার বেড়া এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর খন্দকারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঁঠালিয়া ইসলামিয়া দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদরাসা পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হন এইচ এম মজিবর ও জাহাঙ্গীর খন্দকার। নির্বাচনে ইমাম আবু হানিফা সভাপতি প্রার্থী এইচ এম মজিবর রহমানের পক্ষ নেন। নির্বাচনে বিজয়ী হন এইচ এম মজিবর রহমান।

পাশাপাশি সভাপতি প্রার্থী জাহাঙ্গীর খন্দকার হেরে যান। এ নিয়ে আবু হানিফার সঙ্গে জাহাঙ্গীর খন্দকারের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এতে জাহাঙ্গীর খন্দকার ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন সময় ইমাম আবু হানিফাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল।

গত ১১ মে ফজরের নামাজের পর ইমাম আবু হানিফা মসজিদ থেকে বের হলে তার পথরোধ করে পরাজিত প্রার্থী ও তার লোকজন। এ নিয়ে ইমামের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পরাজিত প্রার্থী জাহাঙ্গীর খন্দকারের এক সহযোগী ইমাম আবু হানিফার হাত ধরে ফেলে। এসময় ইমন নামে তার আরেক সহযোগী হাঁড়িভর্তি মল-মূত্র এনে ইমাম আবু হানিফার মাথায় ঢেলে দেয়। সেই সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে দৃশ্যটি ভিডিও করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয় তারা। সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। প্রতিবাদের ঝড় বইতে শুরু করে সর্বত্র।

এ ঘটনায় গত ১৩ মে ইমাম আবু হানিফা বাদী হয়ে আটজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন-জাহাঙ্গীর খন্দকার, জাকির হোসেন জাকারিয়া, মো. মাসুম সরদার, মো. এনামুল হাওলাদার, মো. রেজাউল খান, মো. মিনজু, জাহাঙ্গীর খন্দকার, সোহেল খন্দকার ও মিরাজ হোসেন।

মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে আসামি ফরহাদ হোসেন, মো. মিনজু, বেল্লাল হোসেন ও সোহেল খন্দকারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর মধ্যে বুধবার রাতে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তবে মামলার অন্যতম আসামি জাকির হোসেন জাকারিয়া, মো. মাসুম সরদার, মো. এনামুল হাওলাদার ও মো. রেজাউল খান এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জন সচেতনতা বৃদ্ধিমুলক ওয়ার্কসপ

আরেফিন মুক্তা-মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি মুলক উপলক্ষেশনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে মুকসুদপুর...

Lead Newsবিশ্ব

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১.৪৯ শতাংশ

নিউজ ডেস্ক সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে গত বছর বাংলাদেশিদের টাকা জমার পরিমাণ নজিরবিহীন বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত বার্ষিক...

Lead Newsবাংলাদেশ

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হলো সেই এডিসি সাকলায়েনকে

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো....