Current date Oct 23, 2026
আইন-আদালত

কাজ না হলে দুদক থেকে কী লাভ: হাইকোর্ট

URL copied
Share URL copied

ডেস্ক রিপোর্ট : রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ৫৬ মামলা তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ, উষ্মা ও হতাশা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন আদালত। গতকাল বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হয়।

২৩ মে বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির মামলার কয়েকজন আসামির জামিন শুনানিতে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ার বিষয়টি উঠে এলে হাইকোর্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তাদের তলব করেন। সে অনুযায়ী গতকাল ৫৬ মামলার আট তদন্ত কর্মকর্তা ও দুই তদারককারী কর্মকর্তা নথিসহ আদালতে হাজির হন।

আদালতে শুনানির শুরুতেই বেসিক ব্যাংকের সাবেক ডিএমডি ও ব্যাংকটির ঋণ জালিয়াতি যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতি ফজলুস সোবহানের পক্ষে ১৫টি মামলায় জামিন চান তার আইনজীবী রোকনউদ্দিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ব্যাংক ঋণ দেবে কি দেবে না, সেটা তো নির্ধারণ করে পরিচালনা পর্ষদ। কিন্তু বলা হচ্ছে ফজলুস সোবহান সহায়তা করেছেন। কী করে তিনি সহায়তা করেছেন? ঋণ যাচাই-বাছাই কমিটির সব নেতিবাচক মূল্যায়ন থাকা সত্ত্বেও তাকে দায়ী করা হচ্ছে। এই অংকের টাকার ঋণ দেয়ার ক্ষমতা এ ভদ্রলোকের ছিল না।

তার এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘কিছুই করার ছিল না। যেন ধোয়া তুলসী পাতা। ঋণ প্রস্তাব বাতিল না করে, শাখার সুপারিশে মর্টগেজ (বন্দকনামা চুক্তি) না রেখেই ঋণ অনুমতি দিয়েছেন। এতে সুদে-আসলে ৬৩ কোটি টাকার অধিক আত্মসাৎ করেছেন।’

বক্তব্যের মধ্যেই বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম খুরশীদ আলম খানকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার এ বক্তব্যের সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বিমত নেই। সবাই লুটপাট করে খেয়েছে। এফআইআরে নাম নেই কেন, চার্জশিট দিচ্ছেন না কেন? এ ধরনের মামলায় আড়াই বছর লেগে গেল? তাহলে কেমনে হবে?’

একপর্যায়ে বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ এ বিচারপতি বলেন, রাষ্ট্রের এতগুলো টাকা চলে গেল, এখন সংস্থা (দুদক) যদি কাজ না করে আমাদের তো করার কিছু নেই। এ রকম একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা দিয়ে যদি কাজ না হয়, তাহলে তো থেকে লাভ নেই।

উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ নিয়ে কত কথা বললাম! এখন লজ্জায় চোখ ঢাকি। মনে হয় কালো কাপড় দিয়ে মুখ ঢাকি, কেন এত কথা বলেছি। আদেশ দিয়ে তো কোনো লাভ হয় না। মনে হয়, উলু বনে মুক্তো ছড়ানো হয়েছে।

জবাবে দুদক আইনজীবী বলেন, এই সময়ে একটি আদেশ ছাড়া আপনাদের প্রত্যেকটি আদেশ, পর্যবেক্ষণ দুদক পালন করেছে।

তখন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, গত আড়াই বছরে ৫৬টি মামলার মধ্যে একটি মামলারও চার্জশিট দিতে পারেননি। লোকবল সংকট থাকলে তো পাঁচটি মামলা দিয়ে তা ভালোভাবে করতেন। ঋণ যাচাই-বাছাই কমিটি ঋণ অনুমোদন দেয়নি, দিয়েছে বোর্ড। অথচ বোর্ডের কাউকে আসামিই করা হয়নি। বোর্ড সবকিছুর জিম্মাদার। আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রেও চুজ অ্যান্ড পিক করেছেন।

Share URL copied
Lead Newsবাংলাদেশ

টিকাকেন্দ্র ভাঙচুরের ঘটনায় সরকার বিব্রত, তদন্তের ভিত্তিতে ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক রাজধানীর মিরপুরে মা ও শিশুস্বাস্থ্য কেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সরকার বিব্রত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার...

Lead Newsঅর্থনীতি

রূপালী ব্যাংকের ময়মনসিংহ বিভাগীয় ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকদের অংশগ্রহণে ৩১ আগস্ট ২০২৬ ভিত্তিক ‘ব্যবসায়িক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত...

Lead Newsঅর্থনীতি

রূপালীক্যাশের ডিস্ট্রিবিউশন ও মার্চেন্ট অ্যাকোয়ারিং কার্যক্রমে যুক্ত হলো আকিজ অনলাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) ‘রূপালীক্যাশ’-এর কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও দেশের সর্বস্তরের জনগণের কাছে ডিজিটাল...